খবরটি বার পড়া হয়েছে
মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের একথা জানিয়েছেন মুজাহিদের আইনজীবী শিশির মো. মুনির।
তিনি বলেন, আগামীকাল সকালে রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ করা হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত আলী আহসান মুজাহিদের সঙ্গে আলাপ করা হয়েছে। রিভিউ আবেদনে তিনি খালাস পাবেন বলে আমরা আশা করছি।
এর আগে বিকেল তিনটার দিকে অ্যাডভোকেট শিশির মো. মুনিরের নেতৃত্বে মুজাহিদের আইনজীবীরা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে দেখা করেন।
এর আগে গত ৯ অক্টোবর মুজাহিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তার পরিবারের সদস্যরা। এ ছাড়া গত ৩ অক্টোবর সাক্ষাৎ করেছিলেন আইনজীবীরা।
আপিল বিভাগ গত ৩০ সেপ্টেম্বর মুজাহিদ ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মানবতাবিরোধী মামলার চূড়ান্ত রায় প্রকাশ করে। ওইদিনই তা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
নিয়ম অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল দুই ফাঁসির আসামির দণ্ড কার্যকরে মৃত্যু পরোয়ানা জারি করে এবং তা কারা কর্তৃপক্ষের হাতে পাঠিয়ে দেয়।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মুজাহিদকে এবং কাশিমপুর কারাগারে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে সেই মৃত্যু পরোয়ানা পড়ে শোনায় কারা কর্তৃপক্ষ। এর মধ্য দিয়ে শুরু হয় রায় কার্যকরের প্রক্রিয়া।
২০১৫ সালের ১৬ জুন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদকে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখে। বেঞ্চের অন্য বিচারপতিরা হলেন- বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।
এর আগে ২০১৩ সালের ১১ আগস্ট আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ খালাস চেয়ে আপিল করেন।
২০১৩ সালের ১৭ জুলাই বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মুজাহিদকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়ে রায় ঘোষণা করে।
২০১০ সালের ২৯ জুন আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০১১ সালের ১১ ডিসেম্বর ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। ২০১২ সালের ২৬ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Blogger Facebook