খবরটি বার পড়া হয়েছে
ভূজপুরের খবর ডেস্ক: উপজেলার বিভিন্ন স্থানে হিজরি নববর্ষ উদযাপনে ১৪ অক্টোবর র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়োজিত সভায় বক্তারা বলেন, সরকার ডিম দিবস পালন করলেও হিজরি নববর্ষ সরকারিভাবে পালিত হচ্ছে না। তারা দিবসটি সরকারিভাবে পালনের আহবান জানান।
রাউজান : হিজরী নববর্ষ ১৪৩৭ কে স্বাগত জানিয়ে রাউজানের হলদিয়া আমিরহাটে এক আলোচনা সভা ও র্যালি গত মঙ্গলবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়। দশদিন ব্যাপি শোহাদায়ে কারবালা মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটি এ র্যালির আয়োজন করে। র্যালিটি সর্তা ব্রিজের পশ্চিম পাশ থেকে শুরু করে দোস্ত মোহাম্মদ সড়ক দিয়ে আমিরহাট বাজার প্রদক্ষিণ করে পশ্চিমকুল এবাদত খানার সামনে গিয়ে সমাপ্ত হয়। এই উপলক্ষে আলোচনা সভা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আলী আকবর তৈয়্যবীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন হলদিয়া ইউপি প্যনেল চেয়ারম্যান সাংবাদিক এম বেলাল উদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এস এম কামাল উদ্দিন, মওলানা ইয়াছিন মাইজভান্ডারী, মওলানা হাফেজ ওমর ফারুক, মওলানা দিদারুল আলম আল কাদেরী, মওলানা আবদুল মোতালেব, মওলানা হাফেজ হারুনুর রশীদ, মওলানা তাজ মোহাম্মদ রেজভী, মওলানা মুহাম্মদ মোজাম্মেল হোসাইন, মওলানা মুহাম্মদ জিলহাজ, মওলানা মুহাম্মদ কপিল উদ্দিন, মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, মুহাম্মদ আবু তাহের, মুহাম্মদ নুরুল আলম, মুহাম্মদ রফিকউদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।
কক্সবাজার: ‘অপসংস্কৃতি রুখে দাঁড়াও, সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাও’ সোগানকে ধারণ করে হিজরী নববর্ষ উদযাপন পরিষদ কক্সবাজার’র আয়োজনে ১৪৩৭ বর্ষবরণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বিকালে পাবলিক হলের ময়দান হতে বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পাবলিক হল ময়দানে এসে সমাপ্ত হয়।
এরপর হিজরী নববর্ষের গুরুত্ব ও তাৎপর্যের ওপর আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। হিজরী নববর্ষ উদযাপন পরিষদ কক্সবাজারের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং নির্বাহী সচিব এস. এম. নিয়ামত উল্লাহ মামুন ও সদস্য আবদুল মালেকের সঞ্চালনায় কক্সবাজার পাবলিক হল ময়দানে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত সমন্বয় কমিটির মহাসচিব এডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার। উদ্বোধক ছিলেন, পরিষদের উপদেষ্টা আল্লামা সিরাজুল ইসলাম সিদ্দিকী। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, সরকার অনেক দিবস পালন করে। এমনকি ডিম দিবসও পালন করে। অথচ হিজরী নববর্ষ সরকারিভাবে পালন হচ্ছে না। তিনি বলেন, সম্রাট আকবর যে বাংলা সন চালু করেন তাও হিজরি নববর্ষকে কেন্দ্র করে। তাহলে আজকে যে পহেলা বৈশাখ নববর্ষ পালন করে, তার আগে গোড়াপত্তন হিজরি নববর্ষের। অথচ আজকে স্কুল, কলেজ, কিংবা মাদ্রাসার কোন ছাত্রও হিজরি নববর্ষ সম্পর্কে জানে না। এটা মুসলমানদের জন্য চরম দুঃখ ছাড়া আর কিছু না। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন হিজরী নববর্ষ উদযাপন পরিষদের মহাসচিব আবুল কালাম আযাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা ইদ্রিস, অধ্যক্ষ সৈয়দ মুহাম্মদ উল্লাহ নকশবন্দী, অধ্যাপক সালাহ উদ্দিন মুহাম্মদ খালেদ, অধ্যক্ষ শাহাদত হোসাইন আল কাদেরী, মাওলানা মনজুর আহমেদ, উপাধ্যক্ষ সালাহ উদ্দিন মুহাম্মদ তারেক, এড. একরামুল হক, মাওলানা রেজাউল করিম, মাওলানা এনাম রেজা আল কাদেরী, আজিজুল হক আজিজ, কমিশনার মিজানুর রহমান, রবিউল হাসান, আলাউদ্দিন, সাজ্জাদ হোসেন, মুহতাসিম বিল্লা হেলালী, মুজিব উল্লাহ প্রমুখ। আলোচনা সভার পরে আল হাসান ইসলামি সাংস্কৃতিক ফোরামের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। তাদের পরিবেশনায় ছিল হাম্দ, নাতে রাসুল (দ.), কাউয়ালী, মরমী এবং দেশাতœবোধক সংগীত।
চন্দনাইশ: নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, চন্দনাইশে হিজরি নববর্ষ-১৪৩৭ কে স্বাগত জানিয়ে ইসলামী ছাত্রসেনা চন্দনাইশ পৌরসভা শাখার উদ্যোগে র্যালির আয়োজন করা হয়। সকালে চন্দনাইশ সদরস্থ হযরত শাহ আমিন উল্লাহ (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে র্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চন্দনাইশ কৃষি ব্যাংক চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে এক সমাবেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চন্দনাইশ পৌরসভা শাখার সভাপতি মো. আবদুল করিম জিহাদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আলোচনায় অংশ নেন, ইসলামী ফ্রন্টের মজলিশে শুরা সদস্য আলহাজ আমান উল্লাহ আমান সমরকন্দী, উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান মাওলানা সোলায়মান ফারুকী, ইসলামী ফ্রন্ট নেতা আলহাজ মাওলানা ছৈয়দুল হক, মাজহার হেলাল, মাস্টার এম বদিউল আলম, যুবসেনা নেতা এনামুল হক এনাম, কাউন্সিলর পদপ্রার্থী বেলাল উদ্দিন সম্রাট। ইসলামী ছাত্রসেনা মো. জুননুরাইন খোকনের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন আরিফুল ইসলাম রিমন, হাসান মুরাদ পারভেজ, নুরুল আজম পাবেল, বোরহান উদ্দিন, আনছার উদ্দিন, জিয়াউদ্দিন, বাহাউদ্দিন, বেলাল উদ্দিন, নাঈম উদ্দিন প্রমুখ। সমাবেশে বক্তাগণ বলেন, হিজরি নববর্ষ জাতীয়ভাবে পালন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের পাশাপাশি অফিস-আদালতও সরকারিভাবে ছুটি ঘোষণা করার দাবি জানান। সেইসাথে অন্যান্য নববর্ষ পালনের সময় অপসংস্কৃতি থেকে বিরত থাকার জন্য দেশবাসীকে আহ্বান জানান। সমাবেশে আগত নেতা-কর্মীদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
কক্সবাজার: ‘অপসংস্কৃতি রুখে দাঁড়াও, সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাও’ সোগানকে ধারণ করে হিজরী নববর্ষ উদযাপন পরিষদ কক্সবাজার’র আয়োজনে ১৪৩৭ বর্ষবরণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বিকালে পাবলিক হলের ময়দান হতে বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পাবলিক হল ময়দানে এসে সমাপ্ত হয়।
এরপর হিজরী নববর্ষের গুরুত্ব ও তাৎপর্যের ওপর আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। হিজরী নববর্ষ উদযাপন পরিষদ কক্সবাজারের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং নির্বাহী সচিব এস. এম. নিয়ামত উল্লাহ মামুন ও সদস্য আবদুল মালেকের সঞ্চালনায় কক্সবাজার পাবলিক হল ময়দানে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত সমন্বয় কমিটির মহাসচিব এডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার। উদ্বোধক ছিলেন, পরিষদের উপদেষ্টা আল্লামা সিরাজুল ইসলাম সিদ্দিকী। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, সরকার অনেক দিবস পালন করে। এমনকি ডিম দিবসও পালন করে। অথচ হিজরী নববর্ষ সরকারিভাবে পালন হচ্ছে না। তিনি বলেন, সম্রাট আকবর যে বাংলা সন চালু করেন তাও হিজরি নববর্ষকে কেন্দ্র করে। তাহলে আজকে যে পহেলা বৈশাখ নববর্ষ পালন করে, তার আগে গোড়াপত্তন হিজরি নববর্ষের। অথচ আজকে স্কুল, কলেজ, কিংবা মাদ্রাসার কোন ছাত্রও হিজরি নববর্ষ সম্পর্কে জানে না। এটা মুসলমানদের জন্য চরম দুঃখ ছাড়া আর কিছু না। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন হিজরী নববর্ষ উদযাপন পরিষদের মহাসচিব আবুল কালাম আযাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা ইদ্রিস, অধ্যক্ষ সৈয়দ মুহাম্মদ উল্লাহ নকশবন্দী, অধ্যাপক সালাহ উদ্দিন মুহাম্মদ খালেদ, অধ্যক্ষ শাহাদত হোসাইন আল কাদেরী, মাওলানা মনজুর আহমেদ, উপাধ্যক্ষ সালাহ উদ্দিন মুহাম্মদ তারেক, এড. একরামুল হক, মাওলানা রেজাউল করিম, মাওলানা এনাম রেজা আল কাদেরী, আজিজুল হক আজিজ, কমিশনার মিজানুর রহমান, রবিউল হাসান, আলাউদ্দিন, সাজ্জাদ হোসেন, মুহতাসিম বিল্লা হেলালী, মুজিব উল্লাহ প্রমুখ। আলোচনা সভার পরে আল হাসান ইসলামি সাংস্কৃতিক ফোরামের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। তাদের পরিবেশনায় ছিল হাম্দ, নাতে রাসুল (দ.), কাউয়ালী, মরমী এবং দেশাতœবোধক সংগীত।
চন্দনাইশ: নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, চন্দনাইশে হিজরি নববর্ষ-১৪৩৭ কে স্বাগত জানিয়ে ইসলামী ছাত্রসেনা চন্দনাইশ পৌরসভা শাখার উদ্যোগে র্যালির আয়োজন করা হয়। সকালে চন্দনাইশ সদরস্থ হযরত শাহ আমিন উল্লাহ (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে র্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চন্দনাইশ কৃষি ব্যাংক চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে এক সমাবেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চন্দনাইশ পৌরসভা শাখার সভাপতি মো. আবদুল করিম জিহাদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আলোচনায় অংশ নেন, ইসলামী ফ্রন্টের মজলিশে শুরা সদস্য আলহাজ আমান উল্লাহ আমান সমরকন্দী, উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান মাওলানা সোলায়মান ফারুকী, ইসলামী ফ্রন্ট নেতা আলহাজ মাওলানা ছৈয়দুল হক, মাজহার হেলাল, মাস্টার এম বদিউল আলম, যুবসেনা নেতা এনামুল হক এনাম, কাউন্সিলর পদপ্রার্থী বেলাল উদ্দিন সম্রাট। ইসলামী ছাত্রসেনা মো. জুননুরাইন খোকনের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন আরিফুল ইসলাম রিমন, হাসান মুরাদ পারভেজ, নুরুল আজম পাবেল, বোরহান উদ্দিন, আনছার উদ্দিন, জিয়াউদ্দিন, বাহাউদ্দিন, বেলাল উদ্দিন, নাঈম উদ্দিন প্রমুখ। সমাবেশে বক্তাগণ বলেন, হিজরি নববর্ষ জাতীয়ভাবে পালন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের পাশাপাশি অফিস-আদালতও সরকারিভাবে ছুটি ঘোষণা করার দাবি জানান। সেইসাথে অন্যান্য নববর্ষ পালনের সময় অপসংস্কৃতি থেকে বিরত থাকার জন্য দেশবাসীকে আহ্বান জানান। সমাবেশে আগত নেতা-কর্মীদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Blogger Facebook